Posts

Showing posts from August, 2020

বিয়োগের শোক ও নতুন উপাখ্যান : পর্ব ৩

Image
যখন শরীরের কোন জায়গায় ক্ষতের সৃষ্টি হয় আমরা সাময়িক অনেক পীড়া ভোগ করি। কিন্তু এটা দীর্ঘস্থায়ী নয় সেটাও আমরা জানি এবং আশান্বিত হয় স্বাভাবিক জীবনযাপনের। কিন্তু বিয়োগে যখন মনের ক্ষত হয় তখন না মানতে রাজি নয়। আনকনসিয়াসনেস কাজ করে। আমাদের উচিৎ প্রাণহীন দেহকে কেবই একটি বস্তু মনে করা। তাকে সম্মানের সহিত ভুলে যাওয়া। যেখানে তার সৃষ্টি, সেখানেই তার ধ্বংস। তার প্রাণই হল আসল। প্রাণে প্রাণে বন্ধন চাই। তাতে হারাবার কিছুই থাকে না। কারন দেহের বিনাশ আছে প্রানের নয়। প্রানকে নিয়ে সৃষ্টি হবে মন জোড়ানো সব পার্থিব কীর্তি। পৃথিবীতে কত বড় বড় প্রাকৃতিক দূর্যোগ হয়। কত সভ্যতা ধ্বংস হয়, কত মহাজ্ঞানীর বিয়োগ হয় তাতে কি পৃথিবী থেমে আছে? থেমে নেই। আমাদেরও থেমে থাকলে চলবে না।  এগিয়ে যাব নতুন আশায়, সৃষ্টি হবে নতুন উপাখ্যান।

বিয়োগের শোক ও নতুন উপাখ্যান : পর্ব ২

Image
প্রতিটা বিয়োগেই শুরু হয় নতুন উপাখ্যান। সব জায়গায় বন্ধন খুঁজতে চাওয়াটা হলো হমো সেপিয়েন্স এর একটা ডিজঅর্ডার। আমি প্রতিটা প্রানের সাথে আরেকটি প্রানের বন্ধন বিবেচনা করব। একটি বিড়াল, কুকুর মারা গেলেও তো আমার চোখে জল আসে সেকি আমার সম্পর্কের কেউ। আমাকে সব মৃত্যু ব্যথিত করে না। একটা উল্কাপিণ্ড যখন পৃথিবীর বুকে পড়ে তখন তার যে গর্ত সৃষ্টি হয় সেটা পূরণ করে পানি তৈরি হয় প্রকাণ্ড জলাধার । ঠিক এভাবেই প্রতিটা বিয়োগ আমাকে কষ্ট দেয়। শুরু হয় নতুন উপাখ্যান। মানষ প্রতি নিয়ত জগতের সব কবি সাহিত্যিকদের কথায় নিজেদেরকে হারিয়ে ফেলে। কারন সেগুলো শুনতে তার ভালো লাগে। এবং সেগুলো তার কষ্টগুলোকে লাগব করে। কিন্তু কেউ চেষ্টা করেনা নিজেই কিভাবে নিজের কষ্টগুলোকে লাগব করবে। অন্যের আশায় থাকে। একটা অসহায় মানুষকে দেখলে আমাদের মায়া লাগে। যখন না খেয়ে একটা মানুষ মারা যায় তার জন্য চোখে জল আসে। এটাতে কোন রক্তের সম্পর্কের প্রয়োজন পড়ে না। একটা আহত বোবা প্রানি দেখলে মায়া হয় এটাও তেমনি। রবীন্দ্রনাথের "অথিতির স্মৃতি " প্রবন্ধটি পড়ে চোখে জল এসেছিল। মানুষ আর কুকুরের একটা অব্যক্ত সম্পর্ক গল্পের টুইস্ট।  মানুষে...

বিয়োগের শোক ও নতুন উপাখ্যান : পর্ব ১

Image
  লিখেছেন :  আতিকুল ইসলাম যখন আপনার আমার কাছের কোন মানুষের মৃত্যু হয়, তখন আমরা অনেক ব্যথিত হই ও শোকাবহ দিন পার করি। কিছু দিন আগে আমার কাছের একজন মানুষ (রৌজামন) মৃত্যুবরণ করেছে, এ কারনে আমি অত্যন্ত ব্যথিত হয়েছি। এর ফলে কতগুলো সাইকোলজিক্যাল প্রশ্ন প্রায়শই আমার মস্তিষ্কে অস্বস্তি সৃষ্টি করছে। যেমন : আমি কেন ব্যথিত?, আমার কত দিন তাকে মনে রাখা উচিৎ?,  আমি কি কিছু হারিয়েছি? এরকম অজস্র প্রশ্ন। আমার মনে হল সম্পর্কগুলোকে নিয়ে  প্রাণ ও প্রাণহীন ভিত্তি ধরে রিডিফাইন বা পুনঃ সঙ্গায়িত করা দরকার। ফলে আমি কতগুলো সম্পর্ক তৈরি করলাম, যেমন: মানুষ-মানুষ, মানুষ-বৃক্ষ ,মানুষ-পশু, মানুষ-পাখি, মানুষ-কীটপতঙ্গ এরকম আরো।  আমি এখনে মানুষকে ধ্রুব ধরে উপরোক্ত প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজার চেষ্টা করবো। কেন একটি নতুন প্রাণকে নাম দিয়ে কতগুলো বন্ধনে আঁকড়ে ধরার চেষ্টা করি? বি:দ্র:- লেখা গুলো পর্ব আকারে এই ব্লগে প্রকাশ করা হবে।

একজন ফ্লেবোটোমিস্ট এর কাজ কি?

Image
একজন ফ্লেবোটোমিস্ট হলেন একজন ব্যক্তি যিনি ল্যাব টেস্ট, ট্রান্সফিউশন বা অনুদানের জন্য রোগীদের রক্ত ​​সংগ্রহ করে থাকে।ফ্লেবোটোমিস্টদেরকে  ভেইনপ্যাঙ্কচার (যখন একটি শিরা থেকে রক্ত ​​বের করার জন্য যখন সুঁই ব্যবহার করা হয়), হাতের আঙ্গুল ,  শিশুদের ক্ষেত্রে পায়ের গোড়ালি  থেকে রক্ত সংগ্রহের  ​​প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ফ্লেবোটোমিস্টরা  সাধারণত হাসপাতাল, মেডিকেল অফিস, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক পরীক্ষাগার, এবং রক্তদান কেন্দ্রে কাজ করে থাকেন।যদিও অন্যান্য চিকিৎসা কর্মীরা যেমন নার্স বা চিকিৎসা সহায়তাকারীরা রক্ত ​​সংগ্রহ করতে পারেন, তবে ফ্লেবোটোমিস্টরা এটি করতে পারদর্শী। ফ্লেবোটোমিস্টরা রোগীদের চিকিৎসা করে না, তারপরেও তাদের কাছাকাছি যেতে হয়। প্রশিক্ষণ ও সার্টিফিকেট প্রদান: অনেকে পেশাদার নার্স বা ডাক্তার হওয়ার পরিকল্পনা করেন তারা প্রায়শই মেডিকেল অফিস বা হাসপাতালে একজন ফ্লেবোটোমিস্ট হিসাবে কাজ করে থাকেন ।  যেহেতু ফ্লেবোটমি মোটামুটি স্বল্প প্রশিক্ষণের সময়কালের অন্তর্ভুক্ত থাকে এবং যেহেতু ফ্লেবোটোমিস্ট এর কাজগুলি খুঁজে পেতে ও অর্জন করা তুলনামূলকভাবে সহজ। লিখা ...

ফরেনসিক প্যাথলজি

অ্যানাটমিক্যাল প্যাথলজি vs ক্লিনিকাল প্যাথলজি

Image
ক্লিনিকাল প্যাথলজি : ক্লিনিকাল প্যাথলজিতে, প্রযুক্তিবিদ শরীরের তরলগুলির উপর ল্যাব পরীক্ষা পরিচালনা এবং তদারকি করে থাকেন ।  সংক্রামক এবং অ-সংক্রামক রোগের জন্য দায়ী চিহ্নিতকারীদের সনাক্ত করতে পরীক্ষা করা হয়।  চিকিৎসা প্রযুক্তিবিদ সাধারণত যে নমুনাগুলি বিশ্লেষণ করেন  সেগুলির মধ্যে রয়েছে: ১.রক্ত ২.প্রশ্রাব ৩.কফ ৪.মল ৫.স্পাইনাল ফ্লুয়েড ৬.প্লিউরাল ফ্লুয়েড ৭.পেরিটোনাল ফ্লুয়েড ৮.জয়েন্ট ফ্লুয়েড ৯.অস্থি মজ্জা অ্যানাটমিক্যাল প্যাথলজি: অ্যানাটমিক্যাল প্যাথলজি বায়োপসি বা সার্জারির সময় শরীর থেকে নেওয়া টিস্যুগুলির পরীক্ষার সাথে জড়িত।  যদিও কিছু ডায়াগনস্টিক পরীক্ষা  প্রযুক্তিবিদ দ্বারা সম্পাদন করা যায় , অন্যদের জন্য রোগ বিশেষজ্ঞের দক্ষতার প্রয়োজন হয়।  অ্যাটমিক্যাল প্যাথলজিতে যে ধরণের পরীক্ষাগুলি করা হয় সেগুলির মধ্যে রয়েছে: ১.স্থূল পরীক্ষা: খালি চোখে টিস্যু পরীক্ষা করা। ২.হিস্টোলজি: একটি মাইক্রোস্কোপের নীচে টিস্যু পরীক্ষা করা। ৩.সাইটোপ্যাথোলজি: একটি মাইক্রোস্কোপের নীচে আলগা কোষগুলির পরীক্ষা করা।  ৪.ইলেক্ট্রন অনুবীক্ষণ  ৫....

বাংলাদেশে সার্জিক্যাল টেকনোলোজিস্ট কি আছে?

নমরুদের পুনরুত্থান ও দাজ্জালের আগমন!

I, PET GOAT 2 তে দেখানো মসজিদটি কি আল আকসা নাকি হায়া সোফিয়া?

Image
                ** আতিকুল ইসলাম I,PET GOAT 2 বা আমার পোষা ছাগল, ইলুমিনাতি ফ্রিমিশনারিজদের তৈরি  একটি অ্যানিমেটেড ফিল্ম যা নীরব বার্তা এবং রহস্যময় প্রতীক দিয়ে ভরপুর । যদিও মুভিটির কোনও সংলাপ নেই, প্রতিটি প্রতীক একটি গল্পের একটি অংশ বলবে যা ইতিহাস, রাজনীতি, যুদ্ধ, গুপ্ত তত্ত্ব এবং আধ্যাত্মিকতার ক্ষেত্রগুলি তুলে ধরবে। এটি মূলত তাদের মাস্টারপ্লান গুলোকে এই ফিল্মটির মাধ্যমে বিশ্ববাসীকে জানান দিয়েছে। খ্রিষ্টানদের সবচেয়ে পুরানো গীর্জা নটরডেম কেথেড্রাল ধ্বংসের খবর আগেই জানানো হয়েছিল  এই ফিল্মটির মাধ্যমে। ফিল্মটির এক পর্যায়ে বিমান হামলা চালিয়ে একটি মসজিদ ধ্বংস দেখানো হয়। এটি কোন মসজিদ,  এটি নিয়ে ব্যাপক মত বিরোধ রয়েছে। কেউ বলছে  আল আকসা, আবার কেউ বলছে হায়া সোফিয়া। আমার মতে এটি হায়া সোফিয়া। একটু লক্ষ্য করে দেখলেই দেখতে পারবেন, মসজিদের ভৌগলিক অবস্থান একেবারে কনস্টিনটিপোল এর সাথে মিলে যায়। তাছাড়া ভাঙ্গা গম্বুজ থেকে সাদা জুব্বা পরিহিত একটি  শিশু ঘূর্ণায়মান অবস্থায় উপরে উঠতে দেখা যায় যাকে   সুফী নৃত্যে “সামা” বলা হয়...

অ্যাস্ট্রোনমি, অ্যাস্ট্রোলজি ও কসমোলজির সহজ পাঠ

অনলাইন নজরদারি : গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বনাম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র

হেলথ টেকনোলজি নিয়ে কিছু কথা

করোনার ভুয়া সার্টিফিকেটের মত বিক্রি হচ্ছে ওকলার সার্টিফিকেট!

Image
করোনার ভুয়া সার্টিফিকেট এর মত টাকা দিয়া ওকলা থেকে  সার্টিফিকেট কিনে আনছে মোবাইল অপারেটর গুলো। দেশের প্রধান তিনটি বিদেশি অপারেটরই তাদের মার্কেটিং এর জন্য দুদিন পরপর ওকলা সার্টিফিকেট কিনে এনে সাধারণ মানুষকে বানাচ্ছে বোকা। প্রত্যেকেই দাবি করছে ৪জি  নেটওয়ার্ক এর ক্ষেত্রে তারা সর্বোচ্চ গতি দিয়ে দেশ সেরা মোবাইল অপারেটর।  কিন্তু গ্রাহক পর্যায়ে বিরাজ করছে চরম অশন্তোষ। অনেকের দাবি তারা ঠিক মত নেটওয়ার্ক কভারেজই পাচ্ছেন না সেখানে স্পিড তো পরের কথা। ৪জি নেটওয়ার্ক এ একজন গ্রাহকের স্পিড পাওয়ার কথা ১০ থেকে ৪০ এমবিপিএস সেখানে পাওয়া যাচ্ছে ৫০০ কেবিপিএস থেকে ১ এমবিপিএস যা খুবই বিরক্তিকর ও হতাশাজনক। অথচ ওকলা থেকে সার্টিফিকেট কিনে গলায় ঝুলিয়ে নির্লজ্জভাবে বিজ্ঞাপন প্রচার করছে মোবাইল অপারেটরগুলো। এবিষয়ে বিটিআরসির কঠোর পদক্ষেপ ছারা কোন পরিবর্তন আশা করা যায় না।

হামদর্দ ল্যাবরেটরীজ নিয়ে কিছু কথা

Image
হামদর্দ(ওয়াক্‌ফ)ল্যাবরেটরীজ   ইউনানি   এবং  আয়ুর্বেদিক   ঔষধের জন্য   ভারত উপমহাদেশের   একটি বিখ্যাত ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি। হামদর্দ পৃথিবীর বৃহত্তম   ইউনানি   ঔষধের প্রস্তুতকারক । হাকিম হাফিজ আব্দুল মজিদ   ১৯০৬ সালের ১ লা আগস্ট দিল্লীতে হামদর্দ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, পরে ১৯৪৮ সালে এটি ওয়াকফ (অলাভজনক প্রতিষ্ঠান) প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হয়। ববর্তমানে হাকিম মোঃ ইউসুফ হারুন ভুইয়া হামদর্দের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। সাম্প্রতি হামদর্দ Orion Registrar Inc. USA হতে ISO 9001.2000 প্রমাণপত্র পেয়েছে। উপমহাদেশে হামদর্দের প্রায় ১১৭টিরও বেশি ক্লিনিক রয়েছে। বগুড়াতে হামদর্দ ইউনানী মেডিকেল কালেজ ও হাসপাতাল স্থাপন করা হয়েছে। হামদর্দের বিভিন্ন পণ্যের মধ্যে সিনকারা, ছাফি, ফ্রোডেক্স, লিবিডেক্স, এনডিউরেক্স, শরবত রূহ আফজা বেশ বিখ্যাত। এর ব্র্যান্ড প্রোডাক্ট প্রায় ১৫0 টি। সাধারণ ও জটিল প্রায় সকল রোগসমূহের চিকিৎসা হামদর্দে রয়েছে। সারা বাংলাদেশে প্রায় ২৭০টি চিকিৎসা কেন্দ্রের মাধ্যমে হামদর্দ তাদের এই চিকিৎসা সেবা বাংলাদেশের আপামর জনসাধারনের নিকট পৌছে দিচ...